শিরোনাম
প্রচ্ছদ / বাংলাদেশ / চিনি মনে করে এর পরিবর্তে আমরা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট খাচ্ছি

চিনি মনে করে এর পরিবর্তে আমরা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট খাচ্ছি

ইয়া রাব্বুল আলামীন আল্লাহ আমাদের রহম কর… পৃথিবীর এমন কোনো রোগ নাই যা আমাদের হবে না। শুনুন তাহলে বিষ খাওয়ানোর চাইতেও ভয়াবহ কাহিনী যা আমদের খাওয়ানো হচ্ছে। তথ্য সূত্রে জানা গেছে , পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) হাজার হাজার টন আমদানি হয়ে ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঢুকছে ।

এই নিষিদ্ধ ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) সাথে মিশানো থাকে সাইট্রিক এসিডি যা একপ্রকার বিষ। এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কন্ডেন্সড মিল্ক প্রভৃতি মিষ্টি জাতীয় খাদ্য দ্রব্যে। চিনির চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ গুণ বেশি মিষ্টি এই ঘন চিনি পৃথিবীর অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে এই চিনি। সাইট্রিক এসিড এর মত দেখতে হুবহু এক রকম বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি সহজেই সাইট্রিক এসিড নামে ও কোডে ঘন চিনি আমদানি করছে।

13325739_10208438605195159_8591303360928093159_n

তেমনিই আর একটি বিষ হলম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে চিনির মত দানাদার, দাম কম ১৫/২০ টাকা কেজি এবং স্বাদহীন।
তাই , বাজারে অর্ধেক বিষাক্ত চিনির সাথে অর্ধেক ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার মিশানো থাকে । কিন্তু , বিনিয়োগ কম , লাভ বেশি বিধায় ব্যবসায়ীরা অর্ধেক বিষাক্ত চিনির সাথে অর্ধেক ম্যাগনেসিয়াম সালফেট মিশিয়ে থাকে ।

নানা ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাদ্যে দীর্ঘদিন ধরে মেশানো হচ্ছে সোডিয়াম সাইক্লামেট আর অন্যপাশে চিনির সাথে মেশানো হচ্ছে আর এক বিষ রাসায়নিক সার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা খেয়ে আমাদের ধিরে ধিরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ। পৃথিবীর কোথাও কি আছে মানুষকে সার খাওয়ানোর এমন উদাহরণ? কোথায় আছি আমরা? কোথায় আমাদের গন্তব্য? কে আমাদের বাঁচাবে, কে বাঁচাবে আমাদের সন্তানদের? ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে চিনির মত দানাদার, দাম কম ১৫/২০ টাকা কেজি এবং স্বাদহীন।
তাই , বাজারে অর্ধেক বিষাক্ত চিনির সাথে অর্ধেক ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার মিশানো থাকে । কিন্তু , বিনিয়োগ কম , লাভ বেশি বিধায় ব্যবসায়ীরা অর্ধেক বিষাক্ত চিনির সাথে অর্ধেক ম্যাগনেসিয়াম সালফেট মিশিয়ে থাকে ।