শিরোনাম
প্রচ্ছদ / মালয়েশিয়া / মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খুব নিকটে, আনোয়ার ইব্রাহীমের আবির্ভাবে নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন !

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খুব নিকটে, আনোয়ার ইব্রাহীমের আবির্ভাবে নতুন সম্ভাবনার উন্মোচন !

মালয়েশিয়ার ক্ষমতাসীন জোটের নেতা আনোয়ার ইব্রাহীম পোর্ট-ডিকসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খুব নিকটে অবস্থান করায় দেশটিতে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অমায়িক এবং সহজ ব্যবহারের সংস্কারপন্থী আনোয়ার মালয়েশিয়াকে একটি মধ্য-আয়ের দেশ থেকে সামনের দিকে উত্তরণ করার শপথ নিয়েছেন।

আনোয়ার ইব্রাহীম একই সাথে ইসলাম এবং গণতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে ওস্তাদ; যিনি তার শ্রোতাদের উদ্দেশ্য তাদের চাহিদা অনুযায়ী পবিত্র কুরআন বা শেক্সপিয়রের রচনা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে থাকেন।

আনোয়ার ইব্রাহীম মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের অর্থ কেলঙ্কারীর ঘটনা যা দেশটিতে 1MDB স্ক্যান্ডাল নামে পরিচিত, তা সবার সামনে উদ্ভাসিত করেন। এদিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির নিশ্চয়তা দিয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি পিকেআরের অন্য মিত্রদের পরামর্শক্রমে ক্ষমতা পরিচালনা করবেন।

চলতি বছরের মে মাসে মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে আনোয়ার তার সাবেক রাজনৈতিক দলে United Malays National Organisation বা উমনো এর ৬০ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্যকে ভেঙ্গে দিতে গণতন্ত্রের ত্রাণকর্তা রূপে আবির্ভূত হন।

ওই নির্বাচনে উমনো এর নেতা এবং মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ভরাডুবির মাধ্যমে আনোয়ার তার সাবেক রাজনৈতিক গুরু ড. মাহাথির মোহাম্মদের সাথে পুনরায় মিত্রতা গড়ে তোলেন। আনোয়ার ইব্রাহীমের ফিরে আসার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তার প্রতি রাজ ক্ষমা ঘোষণা করার মধ্যমে তাকে কারামুক্তি দেয়া হয় এবং এর পরেই তিনি পাকতান হারাপানের সাথে মিত্রতা গড়ে তোলার মাধ্যমে দলটিকে ক্ষমতার স্বাদ দেন।

উইঘুর মুসলিমরা অন্যায় করেনি : মাহাথির থাইল্যান্ড থেকে পালিয়ে আসা ১১ উইঘুর মুসলিম কোন অন্যায় না করায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। মালেশিয়ার পার্লামেন্টে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মাহাথির বলেন, ‘তারা এই দেশে (মালেশিয়া) কোনও অন্যায় করেনি। তাই তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’

উইঘুরের আইনজীবী ফাহমি মইনর য়টার্সকে বলেন, ‘আমাদের পক্ষের আবেদনের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় একমত হওয়ায় তাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে’।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে আটক হয় ২০০ উইঘুর মুসলিম। তাদের মধ্যে অনেককে জোর করে চীনে পাঠিয়ে দিলে বিশ্বে নিন্দার ঝড় ওঠে। তবে থাইল্যান্ডের কারাগারের দেয়ালে গর্ত করে কম্বলকে মই বানিয়ে পালিয়ে তাদের মধ্যে ১১ উইঘুর মুসলিম সীমান্ত অতিক্রম করে মালয়েশিয়া পৌঁছায়।

চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখা মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের প্রশাসন তাদের আটক করে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এসব উইঘুরকে ফিরিয়ে দিতে চীনের প্রবল চাপের মুখে রয়েছে মালয়েশিয়া। কয়েকটি পশ্চিমা দেশ অবশ্য তাদের ফিরিয়ে না দিতে অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদেরই গত সপ্তাহে মুক্তি দিয়ে তুরস্ক পাঠিয়ে দেয় মালয়েশিয়া।

প্রবাসীদের সকল ভিডিও খবর ইউটিউবে দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি: