শিরোনাম
প্রচ্ছদ / মালয়েশিয়া / মালয়েশিয়ার বন্দিশালায় অমানবিক নির্যাতনে ৭ জনের মৃত্যু ও কয়েক জন হাসপাতালে!

মালয়েশিয়ার বন্দিশালায় অমানবিক নির্যাতনে ৭ জনের মৃত্যু ও কয়েক জন হাসপাতালে!

২ কম্বোডিয়ান মেয়ে দাবি করেছে, তারা দেখেছে মালয়েশিয়ার জুড়ু বন্দিশালায় অমানবিক শারীরিক নির্যাতনে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।

কম্বোডিয়ান নিউজ পেপার “দ্যা কম্বোডিয়া ডেইলি” লিখেছে, কম্বোডিয়ার শ্রমিক অধিকার সংগঠন সেন্ট্রাল ওই ২ মেয়েকে মালয়েশিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।

তাদের মধ্যে একজন বলেন, সে গ্রেপ্তার হবার আগে ২ বসর বাসা বাড়িতে হোমেমাইড(বাসার কাজের মেয়ে) হিসাবে কাজ করেছে। পরে পুলিশ আটক করার পর তাকে মালয়েশিয়ার জুড়ু বন্দিশিবিরে নিয়ে যায়।

মেয়েটি বলে, কারাগারে অফিসারদের সাথে ঠিক মতো কথা বলতে পারতো না জন্য, তাকে প্রায় পিটাতো এবং লাথি মারতো। মেয়েটি বলে অন্যরা যেমন- থাই, ইন্দো, ভিয়েতনামিজ এবং লাওসের মেয়েদের উপর আরো অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করতো।

সে বলে, তাদের দেয়ালে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতো শুধু তাই নয় তাদের মাথা ধরে দেয়ালের সাথে আঁচড়াতো। এমএ পোম নামের একজন অফিসার ছিল সে সর্বদা আমাদের ঘুষি এবং লাঠি মারতো।

মেয়েটি বলে আমি সাক্ষী, ২ কম্বোডিয়ান এবং ১ ভিয়েতনামিজ মারা যায় যখন তাদের ক্রমান্বয়ে কিল, ঘুষি এবং লাথি মারে তাদের মুখে এবং বুকে। সেখানে আরো ৩ জন ছিল, রাতে যাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয় এবং সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠে তাদের মৃত পাই।

আমি ঘুম থেকে উঠে তাদের ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পরে বুঝতে পারি তারা আগেই মারা গেছে।

আমি অল্প অল্প মালায় এবং ইংলিশ পারতাম জন্য বড় ধরণের নির্যাতন থেকে আমি রক্ষা পাইছি।

মেয়েটি  বলে, অন্যদের অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করার পর তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয় চিকিত্সার জন্য এবং আমাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল দোভাষী হিসাবে কথা বলার জন্য। সেখানে আমি ৪ জনকে মারা যেতে দেখি। ৩ জন কম্বোডিয়ান এবং ১ জন ভিয়েতনামিজ।

আমি মোট ৭ জনের মৃত্যু দেখেছি। ৫ জন কম্বোডিয়ান এবং ২ জন ভিয়েতনামিজ।

এরকম অমানবিক নির্যাতন হয়েছে কারণ বন্দিরা মালায় কথা বলতে পারতো না। আমি একটু একটু ইংলিশ জানতাম জন্য অন্যদের থেকে একটু ভাগ্যবান ছিলাম।

মালয়েশিয়ার বন্দিশালায় অমানবিক নির্যাতনে ৭ জনের মৃত্যু ও কয়েক জন হাসপাতালে!