শিরোনাম
প্রচ্ছদ / মালয়েশিয়া / মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেট মুক্ত হতে পারেনি!

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেট মুক্ত হতে পারেনি!

জনশক্তি রপ্তানীকে সিন্ডিকেট মুক্ত করা ছিলো, এবারের বায়রা নির্বাচনের প্রধান দাবী। নির্বাচন শেষ হয়েছে ভেংগে গেছে সিন্ডিকেট! গত সপ্তাহে, কুয়ালালামপুরে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের মিটিং শেষে সিন্ডিকেট বিলুপ্ত করে সবার জন্য শ্রম বাজার উন্মুক্ত করে দেন।

তবে সাধু সাবধান! আসলেই ব্যাবসা কি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়েছে নাকি নেপথ্যে এখনো চলছে সিন্ডিকেটের কুট কৌশল? বায়রার সন্মানিত সদস্য/সদস্যা ভাই-বোনেরা প্লিজ একটু লক্ষ করে ভেবে দেখুন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ঘোষণা দেয়ার পরে এবং মালয়েশিয়া সরকার SPPA পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করার পরেও বাংলাদেশ হাইকমিশন সকল লাইসেন্সের নামে ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন করছে না। তাহলে প্রশ্ন? এম্বেসী কাদের নিয়ন্ত্রণে চলে?

কেন বাংলাদেশের পক্ষ হতে মালয়েশিয়া হাইকমিশন কে সকল লাইসেন্সের নামে ভিসা স্ট্যাম্পিং করার জন্য যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না? আসলে দাতুশ্রী আমিন গং এবং তাদের দোসর যারা তারা, এখনো গোপন তৎপরতার মাধ্যমে তাদের সিন্ডিকেট কার্যক্রম এখনো সফল ভাবে অব্যহত রেখেছে। ভালোকরে ভাবতে হবে, লাইসেন্স যার যার, ব্যবসা তার তার। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এখনি এর সমাধান কল্পে সকলকে সরব হতে হবে।

আমরা জানি সুবিচার বা সিদ্ধান্ত যখন হয় সেখানে, হাকিম নড়ে, কিন্তু হুকুম নড়ে না। কিন্তু কি অদ্ভুত? শ্রম বাজার সবার জন্য উন্মুক্ত করার পরেও,আজো কেন আমাদের সিন্ডিকেটের ১০ লাইসেন্সের দ্বারস্ত হতে হচ্ছে? কেন এখনো মালয়েশিয়া বাংলাদেশ এম্বেসী আমাদের সকল লাইসেন্সের নামে ডকুমেন্টস সত্যায়ন দিচ্ছে না? তাহলে কি এখনো যেই ৪৫ হাজার কলিং ভিসা যেগুলো প্রসেসিং এর জন্য বাকী আছে তার জন্য জন প্রতি ১,১০,০০০/ (এক লক্ষ দশ হাজার ) টাকা করে, দাতুশ্রী আমিনকে আমাদের দিতে হবে প্রায় ৫০০০ ( পাচ হাজার) কোটি টাকা? তাহলে কি এখনো আমরা মুক্ত হতে পারলাম না, নির্লজ্জ বেহায়া শ্বপনের হাত থেকে,তাকেও কি দিতে হবে ১৫,০০০/- টাকা করে মোট ৬৭৫ কোটি টাকা তাহলে এই শোষনের শেষ কবে হবে?

প্রস্তাবিত সম্ভাব্য সমাধানঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত নির্দেশ দিতে হবে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন -কে যাতে করে এম্বেসী সকল রিক্রুটিং এজেন্সিকে নিজ নিজ নামে ডিমান্ডলেটার সত্যায়ন করে দিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করে।

সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ করে, ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশনএর দ্বারা ভিসা স্ট্যাম্পিং করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যাহা বর্তমানে পুর্বের ন্যায় এখনো সিন্ডিকেটের ১০ লাইসেন্সের দ্বারা হচ্ছে। পরিবর্তে সকলের জন্য এম্বেসীর নিয়োগকৃত ভিষা প্রসেসিং এজেন্সির মাধ্যমে হওয়া আবশ্যক বলে মনে করি। ইঞ্জিঃ আব্দুল মোতালেব মাল্টিমিডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া।

প্রবাসীদের সকল ভিডিও খবর ইউটিউবে দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি: