শিরোনাম
প্রচ্ছদ / খেলা / সাকিব-তামিম বাদেই একাদশে জায়গা পেলেন মাশরাফি ও আশরাফুল। দেখুন সেই একাদশ

সাকিব-তামিম বাদেই একাদশে জায়গা পেলেন মাশরাফি ও আশরাফুল। দেখুন সেই একাদশ

মাত্রই শেষ হয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের (ডিপিএল) আসর। লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জকে হারিয়ে এবারের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে মাশরাফি, নাসিরদের আবাহনী লিমিটেড। তবে টুর্নামেন্ট শেষ হলেও এর রেশ রয়ে গেছে এখনও। চলছে ডিপিএলের ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্স নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

এবারের ডিপিএলের প্রায় বেশিরভাগ ম্যাচই খেলা হয়েছে ব্যাটিং বান্ধব উইকেটে। আর তাই রানের প্রাচুর্য দেখেছে টুর্নামেন্টটি। তবে এরপরেও উইকেট পাওয়ার দিক থেকে পিছিয়ে নেই বোলাররা। বিশেষ করে স্পিনারদের থেকে এবার রাজত্ব বেশি করতে দেখা গেছে পেসারদেরকেই।

ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্স বিবেচনা এবং বিশ্লেষণ করে ডিপিএলের সেরা একটি একাদশ গঠন করেছে ক্রিকফ্রেঞ্জি ডট কম। সেই একাদশটি চলুন দেখে নেয়া যাক- ডিপিএলের সেরা একাদশ-

১। নাজমুল হোসেন শান্ত- আবাহনীর এই ওপেনার ১৬ ম্যাচে ৫৭.৬১ গড়ে এবারের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেছেন। যেখানে তাঁর রয়েছে ৪ টি সেঞ্চুরি এবং ২টি হাফসেঞ্চুরি।

২। আনামুল হক বিজয়- ১৬ ম্যাচে ৪৯.৬০ গড়ে ৭৪৪ রান সংগ্রহ করা বিজয় ডিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তাঁর রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি এবং ৪টি হাফসেঞ্চুরি।

৩। ফজলে মাহমুদ- পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ব্যাটিং করেছেন প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের ফজলে মাহমুদ। ১৬টি ম্যাচ খেলে ৪৭.২০ গড়ে তাঁর সংগ্রহ ৭০৮ রান। রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি এবং ৩টি ফিফটি।

৪। মোহাম্মদ আশরাফুল– কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে এবারের ডিপিএলে নিজের ব্যাটিং কারিশমা বেশ ভালোভাবেই দেখিয়েছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ টি আশরাফুল। হাঁকিয়েছেন সর্বোচ্চ ৫টি সেঞ্চুরি। রয়েছে ১টি হাফসেঞ্চুরিও। আর ১৩ ম্যাচএ ৬৬.৫০ গড়ে তাঁর সংগ্রহ ছিলো ৬৬৫ রান।

৫। নাইম ইসলাম- ১৬ ম্যাচে ৫৫.৩৮ গড়ে ৭২০ রান নিয়েছেন এবারের টুর্নামেন্টে লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের অধিনায়ক নাইম ইসলাম। তাঁর শতক ছিলো ১টি এবং ফিফটি ৬টি।

৬। নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক)- শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের অধিনায়ক সোহান এবারের টুর্নামেন্টে দারুণ পারফর্ম করেছেন। দলের বিপদে ব্যাট হাতে বেশ কয়েকবার হাল ধরতে দেখা গেছে তাঁকে। ১২ ম্যাচে ৫৪.৬০ গড়ে ৫৪৬ রান সংগ্রহ করার পাশাপাশি ১২টি ডিসমিসালও করেছেন উইকেটরক্ষক সোহান।

৭। নাসির হোসেন (অধিনায়ক)- চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে ভালোই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন নাসির হোসেন। সুতরাং এই একাদশের অধিনায়ক হিসেবে তাঁকেই রাখা হয়েছে। ১৬ ম্যাচে ৩৫.৪০ গড়ে এবারের ডিপিএলে তাঁর সংগ্রহ ছিলো ৫৩১ রান।

৮। মাশরাফি বিন মর্তুজা- টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। পুরো ডিপিএল জুড়েই আবাহনীর এই পেস তারকার বোলিং তান্ডবে দিশেহারা হতে দেখা গেছে ব্যাটসম্যানদের। ১৬ ম্যাচে ৪.৪২ ইকোনমি রেটে তিনি শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৩৯টি উইকেট। এক আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবেও নাম লিখিয়েছন তিনি।

৯। মোহাম্মদ শহীদ- রুপগঞ্জের হয়ে খেলা এই ডানহাতি পেসার ৫.১৬ ইকোনমি রেটে ১৬ ম্যাচে ২৯ উইকেট শিকার করেছেন। টুর্নামেন্টে বল হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছেন তিনি। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির দিক থেকে তৃতীয়তে অবস্থান করছেন শহীদ।

১০। কাজি অনিক- অনূর্ধ্ব ১৯ দলের এই তারকা পেসার এবার খেলেছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। বল হাতে যথারীতি এই টুর্নামেন্টেও যাদু দেখিয়েছেন অনিক। ১১ ম্যাচে তাঁর শিকার ২৮টি উইকেট। যেখানে তাঁর ইকোনমি রেট ছিলো ৫.৪১।

১১। আসিফ হাসান- যেহেতু পুরো ডিপিএলে উইকেট শিকারিদের মধ্যে পেসারদেরই জয়জয়কার ছিলো তাই এই একাদশে রাখা হয়েছে একজন মাত্র স্পিনারকে। আর তিনি হলেন লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের বাঁহাতি স্পিনার আসিফ হাসান। ২৪ বছর বয়সী আসিফ ছাড়া সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকার সেরা ৫ এ আর কোনো স্পিনার নেই। ১৬ ম্যাচএ ৪.৪৭ ইকোনমি রেটে এবারের ডিপিএলে তিনি শিকার করেছেন ২৯টি উইকেট।

প্রবাসীদের সকল ভিডিও খবর ইউটিউবে দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি: